২৩শে জানুয়ারি, ২০১৮ ইং | ১০ই মাঘ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | ৬ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী

শিরোনাম :

বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন জিয়া: সিইসি

বিএনপির সঙ্গে সংলাপে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, জিয়াউর রহমান এ দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন। এরপর ২০০১ সালে তাঁর নেতৃত্বে আবারও সরকার গঠিত হয়। বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার কাজে প্রকৃত নতুন ধারার প্রবর্তন করেছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গতকাল রোববার সকালে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। সংলাপে মেয়াদ শেষের ৯০ দিন আগে জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সহায়ক সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। পরে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘কমিশনের কিছু করার না থাকলেও এ সংলাপের পর আমরা আশাবাদী।’

সংলাপে বিএনপি মোট ২০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে। এর মধ্যে এখন থেকেই সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) তৈরি, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সরকারের সংলাপের উদ্যোগ গ্রহণ, প্রতিরক্ষা বাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে ভোটের অন্তত সাত দিন আগে মোতায়েন করা, ই-ভোটিং না রাখা, প্রশাসনকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করা, সিদ্ধান্ত গ্রহণে সব কমিশনারকে অন্তর্ভুক্ত করা, সংসদীয় আসনের সীমানা ২০০৮ সালের আগের অবস্থায় নিয়ে যাওয়া অন্যতম। জবাবে সিইসি কে এম নুরুল হুদা বিএনপির প্রতিনিধিদের বলেছেন, তাঁরা বসে আলোচনা করে দেখবেন এসব ব্যাপারে কী করা যায়।

 

সিইসি সূচনা বক্তব্যে বিএনপি ও এর প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করেছে, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় করেছে, দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ দিয়েছে। র‍্যাব, দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়, আইন কমিশন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩০ বছর করেছে।

সিইসি বলেন, এই সংলাপে বিএনপি সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে। দেশের মানুষ এই সংলাপের দিকে তাকিয়ে আছে।

সোমবার, অক্টোবর ১৬, ২০১৭